health

[health][bsummary]

vehicles

[vehicles][bigposts]

business

[business][twocolumns]

শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাদ্য, পুষ্টি ও পরিচর্যা


জন্মলগ্ন থেকে বয়স বাড়ার সাথে সাথে শিশুর শারীরিক অঙ্গ প্রত্যঙ্গ একটি আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে। শিশু জন্মের পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধই একমাত্র খাবার। ছয় মাস বয়সের পর বুকের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার দিতে হবে। একটি শিশুর ৬ থেকে ২৪ মাস বয়সের সময়ে তার ব্রেইন দ্রুত বাড়ে, শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধি হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ছয় মাস বয়সের পর থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার না দিলে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। দেহের ওজন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মোট ক্যালরি চাহিদা বাড়তে থাকে যদিও তখন প্রতি কিলোগ্রাম ওজনে ক্যালরির চাহিদা কমতে থাকে।

শিশুর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চার ধরনের খাবার নিশ্চিত করুন। ভাত, ডাল, শাকসবজি, মাছ বা মাংস অথবা ডিম। বাড়তি খাবারের শুরুতে প্রথম দিন শিশুকে অল্প অল্প করে খাওয়াতে হবে। ভাত, ডাল ও সবজি, শাক সিদ্ধ করে ছেকে এক সঙ্গে মিশিয়ে সেই নরম খাদ্য ২/১ চামচ করে খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হয়। এ ছাড়া ফলের রস, দই, ছানা, পুডিং, সেমাই, ছাতু হতে পারে শিশুর প্রথম পুষ্টিকর নাশতা। এক বছর বয়সের মধ্যেই যেন শিশু পরিবারের স্বাভাবিক খাবার খায়। অর্থাৎ পরিবারের সকলে যে খাবার খায় শিশুকেও সে সব খাবার খেতে দিতে হবে। বাড়তি খাবার শুরুতে মরিচ ও মশলা ব্যবহার করা যাবে না।

যদি দেখা যায় যে শিশু সমবয়সীদের মতোই বাড়ছে, ওজনও ঠিক আছে; তাহলে বুঝতে হবে তার শরীরে পুষ্টির কোনো ঘাটতি নেই। বয়সের তুলনায় ওজন অনেক কম হলে, হঠাৎ করে ওজন কমা অথবা ওজন প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সুস্বাস্থ্য রক্ষার অপরিহার্য শর্ত হচ্ছে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা। শিশুদেরকেও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ছোট বেলা থেকেই হাতে কলমে শিক্ষা দিতে পারেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন